বর্তমান সরকারের "সবার আগে বাংলাদেশ" নীতির আলোকেই দেশের শ্রম খাতের রূপান্তর ঘটানো হচ্ছে। দেশের কর্মক্ষম ও উৎপাদনশীল শ্রমশক্তিকে একটি মানবিক, ন্যায়সঙ্গত এবং টেকসই সামাজিক সুরক্ষা কাঠামোর আওতায় আনতে সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। সেই লক্ষ্য বাস্তবায়নে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতায় প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক সকল খাতের শ্রমিকদের জন্য ‘বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশন’ এবং শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্প খাতের শ্রমিকদের জন্য ‘কেন্দ্রীয় তহবিল’ এর মাধ্যমে বিভিন্ন কল্যাণমূলক ও সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।
বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফাউন্ডেশনের লক্ষ্য হলো সর্বোচ্চ সংখ্যক প্রতিষ্ঠানকে তহবিলে লভ্যাংশ প্রদান নিশ্চিত করে দেশের সব স্তরের শ্রমিক ও তাদের পরিবারকে সেবার আওতায় আনা।এর মূল রূপকল্প হলো শ্রমিকদের সামগ্রিক আর্থসামাজিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।
শ্রমিক ও তাদের পরিবারের জরুরি চিকিৎসা ব্যয়ের সহায়তায় এ অনুদান প্রদান করা হয়। প্রয়োজনীয় মেডিকেল ডকুমেন্ট জমা দিয়ে আবেদন করা যায়।
শ্রমিকর নিজের শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা ব্যয়ের সহায়তার জন্য এ অনুদান প্রদান করা হয়। শুধু মাত্র স্নাতক পর্যায়ের শ্রমিক শিক্ষার্থীরা এ সুবিধা পাবেন।
দূর্ঘটনা অথবা স্বাভাবিকভাবে শ্রমিকের মৃত্যুজনিত আর্থিক সঙ্কট লাঘবের জন্য পরিবারকে এককালীন আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়। এক্ষেত্রে তার পরিবারকে প্রয়োজনীয় পরিচয় ও কাগজপত্র জমা দিতে হয়।
নারী শ্রমিক অথবা পুরুষ শ্রমিকদের স্ত্রী-দের মাতৃত্বকালীন চিকিৎসা ও বিশ্রামকালীন ব্যয়ে সহায়তা হিসেবে এ অনুদান প্রদান করা হয়।
শতভাগ রপ্তানিমুখী শিল্পে কর্মরত শ্রমিকদের জন্য কেন্দ্রীয় তহবিল থেকে অনুদান আবেদন
শ্রমিক ও তাদের পরিবারের জরুরি চিকিৎসা ব্যয়ের সহায়তায় এ অনুদান প্রদান করা হয়। প্রয়োজনীয় মেডিকেল ডকুমেন্ট জমা দিয়ে আবেদন করা যায়।
শ্রমিকের নিজের অথবা তার সন্তানদের শিক্ষাবৃত্তি ও শিক্ষা ব্যয়ের সহায়তার জন্য এ অনুদান প্রদান করা হয়। বিদ্যালয়, কলেজ ও স্নাতক পর্যায়ের শিক্ষার্থীরা এ সুবিধা পাবেন।
দূর্ঘটনা অথবা স্বাভাবিকভাবে শ্রমিকের মৃত্যুর কারণে পরিবারের আর্থিক সঙ্কট লাঘবের জন্য পরিবারকে এককালীন আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
এইক্ষেত্রে দূর্ঘটনাজনিত মৃত্যু হলে এমপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কীম (EIS)-এর মাধ্যমেও মাসিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
নারী শ্রমিকের নিজের অথবা পুরুষ শ্রমিকের স্ত্রীর মাতৃত্বকালীন চিকিৎসা ও বিশ্রামকালীন ব্যয়ে সহায়তা হিসেবে এ অনুদান প্রদান করা হয়।
শ্রমিক দূর্ঘটনাজনিত কারণে অথবা স্বাভাবিক কারণে স্থায়ী ভাবে অথবা আংশিক ভাবে কাজে অক্ষম হলে এই সহায়তা প্রদান করা হয়।
এইক্ষেত্রে দূর্ঘটনাজনিত অক্ষমতা হলে এমপ্লয়মেন্ট ইনজুরি স্কীম (EIS)-এর মাধ্যমেও মাসিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
কেন্দ্রীয় তহবিলের আওতায় কোনো শ্রমিক কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় মৃত্যুবরণ করলে অথবা শারীরিকভাবে স্থায়ীভাবে অক্ষম হয়ে গেলে সেই শ্রমিক ও তার উত্তরাধিকারীদের মাসিক ভিত্তিতে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।
লগইন করুন
রপ্তানিমুখী সেক্টর (তৈরি পোষাক, চামড়া ও চামড়াজাত দ্রব্যাদি, পাট ইত্যাদি) এর কর্মহীন শ্রমিকদের মাসে ৫০০০ টাকা হিসেবে তিন মাসে ১৫,০০০ টাকা পর্যন্ত নগদ সহায়তা প্রদান করা হয়।
রেজিস্ট্রেশন করুন স্বনিবন্ধন মোবাইল অ্যাপ ডাউনলোড করুন
কারখানার শ্রমিক যিনি বর্তমানে কর্মহীন এবং কর্মহীন হওয়ার র্পূবে
কমপক্ষে ৬ মাস কোন কারখানায় কর্মরত ছিলেন, তিনি নিচের শর্তগুলির যে কোন
একটি পূরণ করলে নগদ সহায়তার জন্য আবেদন করতে পারবেন:
(১) পেশাগত র্দুঘটনাগত জনিত কারণে বা শারীরিক অসুস্থতার কারণে অক্ষম
(২) প্রসূতি কল্যাণ সুবিধা বঞ্ছিত
(৩) রোগে আক্রান্ত হওয়ায় কর্মে অক্ষম
(৪) সাময়িকভাবে চাকরি হারানো শ্রমিক অর্থাৎ লে-অফকৃত বা ছাঁটাইকৃত
শ্রমিক যারা চাকরি স্থায়ী না হওয়ায় ক্ষতিপূরণ পাননি
(৫) ছাঁটাইকৃত/লে-অফকৃত পরবর্তীতে ছাঁটাইকৃত
(৬) লে-অফকৃত কিন্তু ক্ষতিপূরণপ্রাপ্ত শ্রমিক
(৭) স্থায়ীভাবে কারখানা বন্ধের ফলে কর্মহীন শ্রমিক
কর্মহীন শ্রমিক নিচের তথ্যাদি দিয়ে সরাসরি ওয়েবসাইট থেকে স্ব-নিবন্ধন
করতে পারেন:
(১) জাতীয় পরিচয়পত্র সহ ব্যক্তিগত তথ্যাদি
(২) নিজের জাতীয় পরিচয়পত্র ব্যবহার করে খোলা ব্যাংক বা মোবাইল একাউন্ট,
(৩) কারখানা প্রদত্ত আইডি কার্ডসহ চাকুরির তথ্য
(৪) চাকুরি হারানো বা কারখানা বন্ধ হওয়ার প্রমাণপত্র (যদি থাকে)
তাছাড়া বন্ধ কারখানার শ্রমিকদের তথ্য কেন্দ্রীয় তহবিলে কারখানার মাধ্যমে প্রেরণ করা যাবে।
শ্রম ভবন, ১৯৬ শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম সরণী
বিজয়নগর, ঢাকা-১০০০
ফোন: 01776 480 285
ই-মেইল: centralfund.mole@gmail.com
